সর্দি-কাশি

সর্দি এবং কাশি হওয়ার কারণ এবং লক্ষণ

শরীরে রোগ প্রতিরোধ কম থাকার কারণে সর্দি কাশীর জন্ম নেয়।

আবার ব্যাকটেরিয়ার কারনেও এই সমস্যা হতে পারে।

সর্দি কাশীর লক্ষণ সমূহঃ আমরা ব্লি যে ইনফেকশন ব্যাকটেরিয়া ো ভাইরাস দিয়ে হয়ে থাকে। ভাইরাস দিয়ে যে সর্দি কাশি হয় তাকে বলা হয় ব্রকিয়লাইটিস। আবার ব্যাকটেরিয়ার কারণে যেটা হয় তাকে বলা হয় নিউমোনিয়া।  ভাইরাসের কারণে যে সমস্যা হয় তা হল শিশুর নাক দিয়ে পানি পড়া শুরু করবে।যদি এই পানি বের হতে না পারে। তাহ্লএ নাক বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। তখনি সর্দি কাশি হয়। তবে এই ক্ষেত্রে জ্বর তা বেশি হয় না। যেহেতু এই সমস্যা ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে সেহেতু এটা ফুসফুসের ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনা। তাই জ্বর টা বেশি হয় না।

আর যদি দেখেন নিউমোনিয়া ফুসফুসের ভিতরে গিয়ে আক্রমণ করছে। তখন বাচ্চার স্রদি-কাশি হবে। পরে বেশি মাত্রার জ্বর আসবে। বেশির ভাগ জ্বর ১০২/১০৩ মাত্রার হয়ে যায়। তখন বাচ্চা কারো সাথে কথা বলতে চায় না। এ রকম হলে দেখবেন বাচ্চার বুকের খাঁচাটা দেবে যাচ্ছে।

বাচ্চা বমি করছে এমন। এই রকম লক্ষণ যদি দেখা দেয় তাহলে সাথে সাথে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে জেতে হবে।

এজমা সাধারণত বাচ্চার বয়স দুই বছরের পরে হয়ে থাকে। এটা হলে বাচ্চার জ্বর থাকে না। কারো বংশের এই রকম থাকলে এই  এজমা হতে পারে। ধুলা ময়লার মধ্যে থাকার ফলে  এই রোগ হয়ে থাকে। তাই যখনই আজমার লক্ষণ প্রকাশ পাবে তখনি ডাক্তারের কাছে যেতে হহবে।

আর বিস্তারিত এখানে রয়েছে।

 

পোস্টটি শেয়ার করুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।